Pages

Ads 468x60px

Showing posts with label পরিযায়ী পাখি. Show all posts
Showing posts with label পরিযায়ী পাখি. Show all posts

Friday, December 9, 2011

বাইক্কা বিলে বিরল পাখি

বাইক্কা বিল থেকে পাওয়া ‘বড়ঠোঁট চুটকি’ বাইক্কা বিল থেকে পাওয়া ‘বড়ঠোঁট চুটকি’
ছবি: প্রথম আলো
বাইক্কা বিলে বিরল প্রজাতির এক পরিযায়ী পাখির দেখা পাওয়া গেছে। পাখি পর্যবেক্ষকেরা বলেছেন, পাখিটির নাম ‘বড়ঠোঁট চুটকি’। এটি বিশ্বব্যাপী অতিসংকটাপন্ন প্রজাতির একটি পাখি। গত ১০ বছরে থাইল্যান্ডে মাত্র দুটি পাখি দেখা গেছে। তৃতীয়বার দেখা গেল মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাইল হাওরের ‘বাইক্কা বিল অভয়াশ্রমে’ গবেষণার জন্য বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের গবেষক দলের পাতা ফাঁদে ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় এ পাখি ধরা পড়ে।
বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের সভাপতি ইনাম আল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই পাখি সম্পর্কে খুব একটা তথ্য কারও জানা নেই। গত ১০ বছরে থাইল্যান্ডে দুবার এ প্রজাতির দুটি পাখি দেখা যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে এর আগে কোথাও এ পাখি দেখা যায়নি। এর ইংরেজি নাম Largebilled Warbler থেকে বাংলায় ‘বড়ঠোঁট চুটকি’ নাম রাখা হয়েছে। পাখিটির বৈজ্ঞানিক নাম Acrocephalus orinus। মেটে রঙের এ পাখির ওজন ১০ গ্রাম। তবে পাখিটি পরিযায়ী—এটা ধারণা পাওয়া গেছে।’
ইনাম আল হক জানান, বাংলাদেশের নামাঙ্কিত রিং পাখিটির পায়ে পরিয়ে ধরা পড়ার আধঘণ্টার মধ্যেই বিলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
গবেষক দলের অপর সদস্য থাইল্যান্ডের মাহিদল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ফিলিপ রাউন্ড প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ পাখির দেখা পাওয়ার পর দলের সবাই আনন্দে আত্মহারা। বাইক্কা বিলে আসা আমাদের সার্থক হয়েছে। আর এটা আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে বাইক্কা বিলটি পাখিবৈচিত্র্যের দিক থেকে অনন্য। পৃথিবীতে অনেক অজানা বিষয় রয়েছে। এই পাখি সম্পর্কে তেমন বিস্তারিত তথ্য আমাদের কাছে নেই। পাখিটির পায়ে রিং পরানোর সৌভাগ্য আমাদের হয়েছে। আর এর পায়ে যে রিং পরানো হয়েছে, এতে বাংলাদেশের নাম রয়েছে। এর মাধ্যমে এ প্রজাতির পাখি সম্পর্কে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় বাংলাদেশের নামটি যুক্ত হয়েছে।’
এ বছর শীতের শুরু থেকেই হাইল হাওরের বিভিন্ন বিলে প্রচুর দেশি ও বিদেশি পরিযায়ী পাখি আসতে শুরু করেছে। এর মধ্যে বাইক্কা বিলকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করায় পাখির সংখ্যা আগের বছরগুলোর তুলনায় এবার অনেক বেড়েছে।
বিশ্বজ্যোতি চৌধুরী, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রথম আলো
Reade more >>

Saturday, November 26, 2011

বিদ্যুতের মৃত্যুফাঁদে পরিযায়ী পাখি

দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়া নীল সারস দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে মারা যাওয়া নীল সারস
এএফপি
শীত থেকে বাঁচতে পরিযায়ী পাখিরা ছোটে দূরদেশে, যেখানে স্বচ্ছন্দে বিচরণ করা যাবে। এ জন্য তাদের পাড়ি দিতে হয় হাজার হাজার মাইল। দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে ক্লান্ত পাখিগুলো যাও-বা ঠিকানা খুঁজে পায়, অনেক পাখিই প্রাণ হারায় বিদ্যুতের তারে ঝুলে থাকা মৃত্যুফাঁদে পড়ে।
নরওয়ের বেরগেনে ২০ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত পরিযায়ী পাখি নিয়ে অনুষ্ঠিত ‘কনভেনশন অন মাইগ্রেটরি স্পেসিজ’ শীর্ষক সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে সাত কোটি কিলোমিটার দীর্ঘ বিদ্যুতের তার টানা রয়েছে। শুধু আফ্রিকা ও ইউরেশিয়াতেই প্রতিবছর কয়েক লাখ পাখি এই বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে মারা যায়।
সম্মেলনে ডাচ্ পাখি গবেষক হেইন প্রিনসেন বলেন, শিকার ছাড়াও বিদ্যুতের তারের স্পর্শে অনেক পাখি মারা যায়। বৈশ্বিক উষ্ণতা ও মানুষের ধ্বংসযজ্ঞের কারণে পরিযায়ী পাখির অনেক আবাসস্থল ধ্বংস হয়ে গেছে। এ কারণে এই পাখির সংখ্যাও দিন দিন কমে যাচ্ছে।
গবেষকদের মতে, অনেক প্রজাতির পাখি আছে, যেগুলোর বংশবৃদ্ধির হার কমে গেছে। তার ওপর এভাবে পাখি মারা যেতে থাকলে অনেক পাখির অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে। বিশেষ করে বিভিন্ন প্রজাতির সারসের ক্ষেত্রে দেখা যায়, একটি প্রাপ্তবয়স্ক সারস মারা গেলে খাবারের অভাবে এটির ছানাও মারা যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
রয়্যাল সোসাইটি ফর দ্য প্রটেকশন অব বার্ডসের সাবেক সদস্য জন ও’ সুলিভান বলেন, খুব শিগগির ভারত ও আফ্রিকায় সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। এই দুটি অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুতের লাইন স্থাপন করা হচ্ছে। অথচ এখানে পাখির বাসও তুলনামূলক অনেক বেশি। তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদ্যুতের তারের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রচুর নীল সারস মারা যাচ্ছে। এভাবে বছরে প্রায় ১২ শতাংশ সারস হারিয়ে যাচ্ছে। এএফপি। prothom-alo
Reade more >>